সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : শ্রিম্প হ্যাচারী এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব) এর খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ০৩ অক্টোবর ২০২৬ রোজ শনিবার দুপুরে শ্রিম্প হ্যাচারী এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব) এর খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের আয়োজনে খুলনা টাইগার গার্ডেন হোটেলে শ্রিম্প হ্যাচারী এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব) এর খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা’র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক ও ব্যবসায়ীক উন্নয়নে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন রেড স্টার হ্যাচারীর শহীদ ফারুক সাচী, নামিরা হ্যাচারীর রুহুল আমিন লেনিন, মাসুম হ্যাচারীর আব্দুল্লাহ আল-মাসুম, আবাবিল হ্যাচারীর মোতালেব হোসেন, সাউথ বাংলা হ্যাচারীর মাহফুজ ইকবাল, আল-আকসা হ্যাচারীর মোঃ নজরুল ইসলাম, নিউ যমুনা হ্যাচারীর কাজী আমিনুল ইসলাম বাহার, জে.স্টার হ্যাচারীর শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, সুন্দরবন হ্যাচারীর জসীম, ন্যাশনাল হ্যাচারীর শামীম, ব্লু-স্টার হ্যাচারীর বাবন কান্তি দে, সী-স্টার হ্যাচারীর জাকির হোসেন, পপুলার হ্যাচারীর মাহবুবুর রহমান, কপোতাক্ষ হ্যাচারীর শহিদুল ইসলাম, আহছানিয়া হ্যাচালীর আনারুল ইসলাম প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, “বৈদেশিক মূদ্রা অর্জনের খাত এই চিংড়ী শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে হ্যাচারীর উপর আরোপিত ট্যাক্স বা কর কমাতে হবে এবং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। সমূদ্রের জলসীমার মধ্যে থেকে হ্যাচারীর জন্য যে লবণাক্ত পানি হ্যাচারীর জন্য গ্রহণ করা হয় তার জন্য প্রতি লিটার আগে ছিল ৩ পয়সা বর্তমানে ১০ পয়সা হারে টাকা ট্যাক্স দিতে হয়। প্রতি টিপে ৫০০ টন পানি নেওয়া হয়। এজন্য প্রতি টিপে ৫০০ টন পানি আনতে ৫০ হাজার টাকা লাগে। মাসে ৪-৫ টিপে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়। এই ট্যাক্স যেন আরোপিত না হয় এজন্য হ্যাচারী মালিকগণ মৎস্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বনবিভাগের কাছে দাবী জানান যে, এই চিংড়ী শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এই ট্যাক্সটি যেন আরোপিত না করা হয়। এই শিল্পের জন্য হ্যাচারী মালিকগণ আজ পর্যন্ত কোন ইনসেপটিভ বা প্রণোদনা পায়নি। হ্যাচারী মলিকদের বৈদ্যুতিক বিলটি যাতে ৫০% করা হয় চলমান সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়।” এসময় শ্রিম্প হ্যাচারী এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব) এর খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের হ্যাচারী মালিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
