সুজিত মল্লিক, ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : ডুমুরিয়ায় শারদীয়া দুর্গোৎসবকে ঘিরে উপজেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সার্বক্ষণিক মন্দির ডিউটিতে রাখা হয়েছে আনসার ও পুলিশ।এছাড়াও টহলে থাকবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ টীম ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের ব্যবস্থা।
জানা গেছে, চলতি বছরে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ২২৬ টি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয়া দুর্গা পূজা। আজ ১৬ অক্টোবর ২০২৬ রোজ শুক্রবার মহা ষষ্ঠীপূজায় পবিত্র চন্ডিপাঠ ও মঙ্গল ঘট স্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এ আনুষ্ঠান। সনাতন ধর্মালম্বীদের এই পূজাই হল বৃহৎ উৎসব। ধর্মীয় এ অনুষ্ঠানে থাকে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক নানা ধরনের ঝুঁকি । যা রক্ষায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবছর বেশ তৎপর।
এ প্রসঙ্গে ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, উপজেলার ২২৬টি পূজা মন্দিরের মধ্যে কিছু সংখ্যক মন্দির কেএমপির আওতাভুক্ত। আমাদের দায়িত্বে আছে ১৭৬টি মন্দির। যার নিরাপত্তায় এরই মধ্যে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে সকল মন্দিরে আনসার ভিডিপি সদস্য ছাড়াও রাখা হয়েছে পুলিশ। তারা সার্বক্ষণিক ভাবে মন্দিরে ডিউটি করবে। তাদের নোট দেয়া আছে, কোথাও কোন প্রকার অপ্রীতিকর বা আইন শৃঙ্খলাব অবনতি এমন কিছু ঘটলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। এছাড়াও রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে বিশেষ বাহিনী। তবে এবার কোন মন্দিরে ডিজে গান বাজানো যাবে না। কোন কোন জায়গায় দেখা যায়, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার নামে ওপেন কনসার্ট বা অশালীন নৃত্য দেখানো হয়। এ গুলো সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার সবিতা সরকার জানান, সরকারের নির্দেশনা আছে, শারদীয়া দুর্গোৎসব যেন উৎসব মুখর ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়। সেই লক্ষ্যে এরই মধ্যে পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, ফায়ার সার্ভিস টীম ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ডুমুরিয়া উপজেলা ব্যাপি যথেষ্ট নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা করার সুযোগ নেই।
