আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার খরিয়াটি মৌজায় ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত জমি মৃত ব্যক্তির নামে নামজারীর ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। মিউটিশনের বিরুদ্ধে ১৫০ ধারামতে মামলা হলেও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার ভূমিকা রহস্য জনক ও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
খরিয়াটি গ্রামের নাজমুল গাজী ও সিদ্দিক গোলদার জানান, তারা খরিয়াটি মৌজায় ১নং খাস খতিয়ানের ৬৪০৩ দাগে ৮৫ শতক জমি দীর্ঘ দিন ভোগদখল করে আসছেন। ১৪২২ সালে একসনা বন্দোবস্ত প্রাপ্ত হয়ে জমিতে মাছ ও ধান চাষ করে ভোগজাত করছেন। এবছর ডিসিআর পেতে যথা নিয়মে আবেদনও করেছেন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তাদের পক্ষে রিপোর্ট দিয়েছেন। যার স্মারক নং ৭১৯, তাং ৪/৫/২৬। একই গ্রামের আনসার আলী সরদার ২০২৪ সালে ডিসেম্বর মাসে মৃতবরণ করেন। অথচ মৃত ব্যক্তির নামে গত ১৭ মে ২০২৫ তাং ঐ সম্পত্তি নামপত্তন হয়েছে। নামপত্তন কেস নং ৫৪৮৯/২৪-২৫। নামপত্তনের বিরুদ্ধে ডিসিআর গ্রহিতারা ১৫০ ধারা মতে মামলা করেন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন ২৬/৮/২৫ তারিখে নোটিশ করেন। বাদী পক্ষ উপস্থিত হলেও বিবাদী পক্ষ হাজির হননি। অথচ অজ্ঞাত কারনে ইউনিয়ন ভূমি অফিস কোন ব্যবস্থা বা পরবর্তী পদক্ষেপ না নিয়ে টালবাহনা করে আসছেন বলে তারা অভিযোগ করেন। ফলে ভূমিহীন নাজমুল ও সিদ্দিক পরিবার হতাশ হয়ে পড়েছেন।
এব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য নিতে মোবাইল করা হলেও রিসিভ না হওয়ায় সম্ভব হয়নি।
