আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে রাস্তার পাশে বৃহৎ বৃক্ষ শুকিয়ে বিপদজনক অবস্থায় থাকায় প্রাণ ভয়ে পথ চলাচলে বাধ্য হচ্ছে পথচারী ও এলাকাবাসী।
অশাশুনির মানিকখালী ব্রীজ হতে বড়দল ব্যস্ততম সড়কে ফকরাবাদ গ্রামে রাস্তার একেবারে পাশে ৩০ বছর অধিককাল শিশু চটকা গাছ বেড়ে উঠেছে। ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড়ে জনসমাগম স্থানে বিনয় সরকারের কাঠগোলা, ধান, হলুদ ও তেলের মিল, বিল্লাল গাজীর চা স্টলসহ কয়েকটি দোকান রয়েছে। মসজিদ, স্কুল ও ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষের সমাগম ঘটে। রাস্তা দিয়ে প্রতি নিয়ত অসংখ্য যানবাহন, ফকরাবাদ সরকারি প্রাইমারী স্কুলের ছাত্রছাত্রী, সাধারণ জনগণ ও দূর দুরান্তের পথচারী চলাচল করে থেক। গাছের দুটি বড় বড় শাখা রাস্তার উপর ছায়া করে ছিল। ৩ মাসের অধিক শাখা দুটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে আছে। মূল গাছটিও মরণাপন্ন প্রায়। মরা শাখা ডাল দুটি রাস্তার উপর এমন বিপদজনক ভাবে রয়েছে যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়লে জীবনহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রার্থী, স্কুলের পিটিএ সভাপতি, ইটভাটা ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, গাছটি রাস্তার উপর ঝুকে পড়েছে। শুকনো বড় আকৃতির ডাল দুটি যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে। ফলে স্কুলের ছাত্রছাত্রী, পথচারী ও যানবাহনগুলো রীতিমত হুমকির মধ্যদিয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। জেলা পরিষদকে অবহিত করা হলেও কেন যে গাছ কাটা হচ্ছেনা, আমরা জানিনা। এলাকাবাসীর দাবী, হয় গাছটি কেটে নেয়া হোক, না হলে কোন প্রতিষ্ঠানে দান করে দিলে তারাই কেটে নেবে।
আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, গাছটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদজনক। ঝড় বৃষ্টি বা যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়ার শঙ্কায় পথচারী ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভয়ে ভয়ে রাস্তা দিয়ে যাতয়াত করে থাকে। দ্রুত গাছটি কেটে নিতে তিনি জেলা পরিষদের কাছে দাবী জানান।
