সুজিত মল্লিক, ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : ডুমুরিয়া উপজেলা জুড়েই চলছে পল্লী বিদ্যুতের সীমাহীন লোডশেডিং। এই পরিস্থি’তি চলছে প্রায় ১৫ দিন ধরে। যা নিয়ে মানুষেরা আছেন চরম অশান্তিতে।
জানা গেছে, বেশ কয়েক দিন ধরে ডুমুরিয়া উপজেলায় চলছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। যার ক্ষেত্রে নেই কোন সময়সীমা। ভোর বেলা থেকে শুরু করে সকাল দুপুর সন্ধ্যা ও রাত পর্যন্ত কারেন্ট আসা যাওয়া করে। ফলে বিদ্যুতের এত লোডশেডিং-এ মানুষ হন অতিষ্ট। বিদ্যুতের অভাবে প্রচন্ড এই তাপদাহে তাদের কষ্টের সীমা থাকে না। বিশেষ করে, শিশু ও বৃদ্ধ বয়সী লোকজন আছেন চরম ভোগান্তিতে। দুপুর হলেই চলে যায় কারেন্ট। তখন ফ্যানের অভাবে তাদের খুব কষ্টের মধ্যে থাকতে হয়। আবার কোন কোন সময় সন্ধ্যা হলেই হয় বিপত্তি। এই সময়ে বিদ্যুৎ চলে গেলে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনাতে হয় সমস্যা। এরপর রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত, এই সময়ের মধ্যে ৩/৪ বার কারেন্ট আসা-যাওয়া করে। আবার অনেক দিন রাত ২টার পরেও দেখা য়ায় কারেন্ট নেই। প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে চলছে এমন অবস্থা। যা নিয়ে উপজেলার মানুষ অতিষ্ট।
কারেন্টের এমন পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলার বিএনপি নেতা গাজী আব্দুল হালিম জানান, চাহিদার তুলনায় যদি বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকে, তাহলে লোডশেডিং হতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে কিছু নিয়ম বা সময় সীমা থাকা দরকার। মানুষ সারাদিন পরিশ্রম শেষে একটু বিশ্রাম ও ঘুমাতে চায়। শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যায় পড়তে চায়। গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ের কথা মাথায় রেখে লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রতিটি এলাকার জন্য একটা সময় নির্ধারণ করতে হবে। মানুষ তখন ওই রুটিন অনুয়ায়ী সচেতন হবে। অন্যথায় হুট-হাট করে লোডশেডিং করা ঠিক হবে না।
এ বিষয়ে ডুমুরিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম সঞ্জয় রায় জানান, ডুমুরিয়ায় বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম। তাই লোডশেডিং এর মাধ্যমে ওটা কভার করা হয়।
