সুজিত মল্লিক, ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : ডুমুরিয়ায় গভীর রাতে মসজিদের মুয়াজ্জিনকে জবাইয়ের চেষ্টা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কেটে গেছে তার গলা। আজ ১৬ জুলাই ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার আনুমানিক সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি মুমুর্ষ অবস্থায় খুমেক হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হামলার শিকার মুয়াজ্জিন কারিমুল গাজী উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ঘোষগাতি গ্রামের মৃত কাশেম গাজীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাহস ইউনিয়নের ঘোষগাতি গ্রামের বাসিন্দা কারিমুল গাজী (৫৫) পেশায় একজন মুয়াজ্জিন। তিনি স্থানীয় ঘোষগাতি জামে মসজিদে দায়িত্বরত আছেন। বৃহস্পতিবার ফজরের আযানের উদ্দেশ্য তিনি বাড়ি থেকে বের হন। পথিমধ্যে তিনি হন হামলার শিকার। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার গলার সামনের অংশে অনেক খানি কেটে গেছে। এমনকি শ্বাসনালীও ক্ষত হওয়ার সম্ভাবনা। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (ওআইসি ) চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি আছেন। এ বিষয়ে তার স্ত্রী মুরশিদা বেগম জানান, মুয়াজ্জিন সাহেব প্রায়ই রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে মসজিদে যান। আমরাও উঠি ফজরের নামাজের জন্য। কিন্তু ঘটনার রাতে উনি কখন গেছেন তা আমি টের পায়নি। তবে উঠে নামাজ পড়েছি। কিছুক্ষণ পরে মসজিদের ইমাম সাহেব ফোন করে তার কথা জানতে চান। তখন আমি তাকে খুঁজতে বের হয়ে বাড়ির একটু সামনে গিয়ে দেখি রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে পড়ে আছেন। সঙ্গে সঙ্গে আমি ডাক চিৎকার করতে থাকি। আমার চেঁচামেচিতে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তবে তিনি কোন কথা বলতে পারছেন না। শুধু হাত নেড়ে ইশারায় কিছু বলতে চাইছিল। এখন কি হবে বুঝতেছি না। বিষয়টি নিয়ে ডুমুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, মুয়াজ্জিনের ওপর হামলার ঘটনায় অবগত আছি। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও কথা হচ্ছে। তবে কি কারণে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা জানা যায়নি।
