দক্ষিন বাংলা ডেস্ক : খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ চেয়ারম্যান এড. এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক আকার ধারণ করেছে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। এই পরিস্থিতিকে তিনি একটি বড় ধরনের মানবিক সংকট হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় কেবল নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর না করে রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও লার্ভা নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। নগরবাসীকে নিজ নিজ বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহবান জানান।
আজ ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রোজ বুধবার বেলা ১১টায় কেডিএ’র উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. মনা আরও বলেন, মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান নির্দিষ্ট কোনো এলাকায় সীমাবদ্ধ না রেখে নগরীর প্রতিটি ঘর-বাড়ি, অফিস-আদালত, হাসপাতারে আঙ্গিণায় মশার প্রজননস্থ ধ্বংস করতে হবে। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে উৎসাহিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনকল্যাণমুখী এ সরকার জনদুর্ভোগ লাঘবে বদ্ধপরিকর। তবে কোনো একক সংস্থার পক্ষে এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব নয়; ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন কেডিএ’র সদস্য (এস্টেট) মোঃ ইকবাল হোসেন (উপ-সচিব), সচিব সৈয়দ ফারুক আহম্মদ (উপ-সচিব), পরিচালক (এস্টেট) ড. জাকিয়া সুলতানা, তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মজিবুর রহমান, স্থপতি জিনিয়া হক পিংকি, সিনিয়র বৈষয়িক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ্ কবি সাদ, পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ তানভীর আহমেদ, উপ-পরিচালক মোঃ মামুনুল আবেদীন, মোঃ ইজাদুর রহমান, অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সাঈদুল হক, উপ-পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম, অর্থরাইজড অফিসার মোরতোজা আল মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী (রক্ষণাবেক্ষণ) মুনতাসির মামুন ও প্রোগ্রামার মোঃ নাজমুল হুদা প্রমুখ।
