Wednesday, September 9, 2026

কুয়েটে ‘পার্সোনাল ইফেক্টিভনেস, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্টিভ লার্নিং স্ট্র্যাটেজিস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

Must read

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) বিভিন্ন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (ব্যাচ ২০২৩) স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘পার্সোনাল ইফেক্টিভনেস, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্টিভ লার্নিং স্ট্র্যাটেজিস’ শীর্ষক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রোজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এসডব্লিউসি-২০১ কক্ষে একাডেমিক অ্যাচিভমেন্ট অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এএএসডিসি), কুয়েটের উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, অ্যাক্টিভ লার্নিং এবং একাডেমিক ও প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. খন্দকার মাহবুব হাসান, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. কাজী মোঃ রকিবুল আলম, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ এবং সায়েন্স এন্ড হিউম্যানেটিস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। অনুষ্ঠানে রিসোর্স পারসন হিসেবে এফোর্টশেপারের চিফ কনসালট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ রাশেদ উল আলম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সেমিনারের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। তিনি ব্যক্তিগত দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি, সময় ব্যবস্থাপনা, স্ট্রেস মোকাবিলা এবং পড়াশোনায় আরও সক্রিয় ও কার্যকর হওয়ার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এএএসডিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ফারুক হোসেন।
সেমিনারে শিক্ষার্থীদের পার্সোনাল ইফেক্টিভনেস, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, অ্যাক্টিভ লার্নিং, একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট ও প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট-এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কুয়েটের সকল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বিকাশে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আয়োজকরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে একজন শিক্ষার্থীর সফলতার জন্য শুধু একাডেমিক জ্ঞানই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি প্রয়োজন নিজেকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা, মানসিক চাপ মোকাবিলা করা, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং সক্রিয়ভাবে শেখার সক্ষমতা। এসব দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে এবং ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article