Monday, November 2, 2026

আশাশুনিতে সার ডিলার নিয়োগে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ, তদন্তের আবেদন

Must read

 

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলায় সার ডিলার নিয়োগে সরকারি নীতিমালা অনুসরণ না করার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে প্রতিকার প্রার্থনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আঃ গফুর ঢালীর দাবি, শেখ আছাফুর রহমান কাঁচামালের বাজারের মধ্যে অবস্থিত নিজের দোকানকে সার সংরক্ষণের গোডাউন হিসেবে দেখিয়ে ডিলার হওয়ার আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সার ডিলার হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। অথচ সার ও বীজ ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত সরকারি নীতিমালায় ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত যোগ্যতা, গোডাউন সুবিধা এবং অন্যান্য শর্ত পূরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সরকারি নীতিমালার ২.১ ও ২.২ ধারায় ডিলার ইউনিট শূন্য হলে নতুন ডিলার নিয়োগের জন্য স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশনা রয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রচারের কথাও বলা হয়েছে। নীতিমালায় ডিলার হওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা হওয়া, নির্ধারিত গোডাউন সুবিধা, আর্থিক সক্ষমতা, ব্যাংক সলভেন্সি সনদ ও ট্রেড লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় যোগ্যতার শর্ত উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া নীতিমালায় ন্যুনতম ২৫ মে টন ধারণক্ষমতা সম্পন্ন গুদাম থাকতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে, খাবারের দোকান/রেষ্টুরেন্ট, গো-খাদ্য, মাছের খাবার, সবজি দোকানের সঙ্গে সার গুদাম করা যাবেনা এবং সারের গুদামে বীজ সংরক্ষণ করা যাবেনা। উল্লেখ থাকলেও কাঁচামালের বাজারের মধ্যে গোডাউন দেখিয়ে ডিলার নিয়োগের আবেদন করা হয়। তাকে ডিলার হিসেবে মনোনীত করার বিষয়টি সরকারি নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে গোডাউনের বাস্তব অবস্থা, সংরক্ষণ উপযোগিতা এবং ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালার সব শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।
এব্যাপারে আলহাজ্ব শেখ আছাফুর রহমান বলেন, বাজারের মধ্যে নয়, মেইন রাস্তার পাশে তার নিজস্ব জমি ও দোকান/গোডাউন রয়েছে। এছাড়া ব্যবসা করার মত বাজার সংলগ্ন কয়েকটি ঘর এবং বেউলা গাজীরমাঠসহ আরও গোডাউন করার ব্যবস্থা রয়েছে। সেসব স্থানে প্রাথমিক কাজ চলছে। সার উঠলে সেসব স্থানে সার সংরক্ষণ করা হবে। তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় তার জামাই-বেহাই এর সার কীটনাশকের ব্যবসা রয়েছে। তাদের সাথে তিনি ব্যবসা করে থাকেন। তাদের লাইসেন্স আছে। তার সার কীটনাশক ব্যবসার পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে। বুধহাটা বাজারে তিনি দুই শতাধিক দোকান ও পজেশান হস্তান্তর করেছেন। বাজারের উন্নয়ন ও যৌলুসবৃদ্ধিতে তার যথেষ্ট অবদান আছে বলে তিনি জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা কৃষি অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article