সুজিত মল্লিক, ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে যাচ্ছেন শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল। প্রতিদ্বন্দ্বি এই প্রার্থী উপজেলার ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের বান্দা গ্রামের সন্তান ও বান্দা কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক। এবারের নির্বাচনে তিনি হতে যাচ্ছেন চমকপ্রদ প্রার্থী।
জানা গেছে, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এমনই আভাস পেয়ে খুলনার ডুমুরিয়ায় ইচ্ছুক প্রার্থীরা হয়ে উঠেছেন বেশ তৎপর। প্রতিদ্বন্দ্বি সব প্রার্থীকে দেখা যাচ্ছে প্রচার-প্রচারণার মাঠে। বিভিন্ন ধেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্টানে দেখা যাচ্ছে তাদের। সেখানে গিয়ে তুলে ধরছেন নিজের অবস্থান। অনুষ্টানে উপস্থিত সকলের সঙ্গে করছেন কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ। তবে ডুমুরিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে এ পর্যন্ত শোনা গেছে ৫/৬ জনের নাম। তারমধ্যে চমকপ্রদ প্রার্থী হলেন শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল। তিনি এরই মধ্যে বেশ সরব হয়ে উঠেছেন। প্রতিদিনই চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। উপজেলার চৌদ্দ ইউনিয়নেই দিনে দিনে বেড়েই চলেছে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। বিশেষ করে হিন্দু অধুষ্যিত এলাকায় তার জনপ্রিয়তা উঠেছে অনেক তুঙ্গে। ওই জনপদের পাড়া-মহল্লায় তাকে নিয়ে যেন কৌতুহলের অন্ত নেই। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই হচ্ছেন তারা ঐক্যবদ্ধ। সেক্ষেত্রে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী নিত্যানন্দ মন্ডল অত্যন্ত আশাবাদী। এ প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের বলেন- রাজনীতি বা জনপ্রতিনিধিত্ব করা এমন মনোভাব আমার কখনো ছিল না। তবে এই ডুমুরিয়ার একজন নেতা ছিলেন। তাঁর পাশে গিয়ে, তাকে দেখে শিখে, আজ আমি এই সিন্ধান্ত নিয়েছি। আমার সেই প্রিয় নেতা, প্রিয় অভিভাবক হলেন প্রায়ত চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর। তিনি দেখাতেন, বোঝাতেন কি ভাবে মানুষকে ভালো বাসতে হয়। কিভাবে অসহায় মেহনতি মানুষের পাশে দাড়াতে হয়। আমি তাকে প্রচন্ড আকারে অনুসরণ করি। আমাকে বিএনপির রাজনীতিতেও এনেছিলেন তিনি। তার হাত ধরে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতি করছি। তিনি আমাকে অনেক বড় অবস্থানে রেখে গেছেন। তার সহযোগিতায় আমি তিন তিন বার দেশনেত্রী বেগম জিয়া’র সঙ্গে সাক্ষাত করতে পেরেছি। এছাড়া জেলা বিএনপির সদস্য পদও পেয়েছিলাম তার জন্য। জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট’ আহবায়ক পদেও তার হাত ছিল। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। এই ডুমুরিয়া মানুষ ও ডুমুরিয়া জনপদ নিয়ে তাঁর অনেক উন্নয়নের স্বপ্ন ছিল। আমি তাকে খুব কাছে থেকে দেখেছি, চিনেছি। তাই আমি তাঁর স্বপ্ন পূরণ করতে নির্বাচন করতে চাই।
