Wednesday, May 20, 2026

বড়দলে আইনে শ্রদ্ধাশীল হাজী সুকুর আলীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে হতাশ এলাকাবাসী

Must read

 

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও জনগণের সিদ্ধান্তে নমনীয় আলহাজ্ব সুকুর আলীকে নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্রে এলাকাবাসী হতাশা প্রকাশ করেছে। অপরাধের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তারা জোর দাবী জানিয়েছেন।
বড়দল (মাঝেরডাঙ্গা) গ্রামের মোসলেম গাজীর ছেলে আলহাজ্ব সুকুর আলী গাজী ও তার ছেলে ৩৬ নং খতিয়ানে ৩১৬৯ দাগে ১.৩১ একর জমি ক্রয় করে মিউটিশর, রেকর্ড ও চেক দাখিলা কেটে দীর্ঘদিন ভোগদখল করে আসছেন। ঘেরের সীমানা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে গত ১৬ মার্চ আমিনদিয়ে মাপজরিপ করা হয়। এসময় কটক মন্ডল ও তার ছেলে সুব্রত বাধার সৃষ্টি করে, লাঠিদারা মারধর করতে যায়। মৌখিকভাবে প্রতিবাদ করলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাছ ও খুন জখমের হুমকী ধামকী দেয়। এবং মিথ্যা মামলায় ফাসানোর আস্ফালন করে। এব্যাপারে থানায় ১৭/৩/২৬ তাং ৭৭৫ নং জিডি করা হয়। থানা পুলিশ স্থানীয় জগদীশ সিং ও বিএনপি নেতা আলমগীরকে মীমাংসার দায়িত্ব দেন।
এপ্রিল মাসে তারা এলাকার বহু মানুষকে নিয়ে দু’পক্ষের ৪জন আমিনদ্বারা জমি মাপজোক করান। মাপে কটকদের জমির মধ্যে ১৫ফুট জমি পাওনা হলে কটকদের অনুনয় বিনয়ে এবং অপরাধ স্বীকার করায় শালিসকারকদের অনুরোধে সুকুর আলীকে মাত্র ২ ফুট জমি দিয়ে আপোষ মীমাংসা করা হয়। এবং একটি স্বীকারোক্তিপত্র লিখে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়া হয়। সুকুর আলী সীমানায় মাটির কাজ, নেট ও ঘেরাবেড়া দিয়ে দখল বুঝে নেন। গত শনিবার (১৬ মে) সুকুর আলী জমির বাধে দাড়িয়ে কটকের ভগ্নিপতির সাথে কথা বলছিলেন। এসময় আপোষ মীমাংসার কথা হলে সুব্রত, সুব্রর মা ও স্ত্রী তাদেরকে গালিগালাছ করতে থাকে। সুকুরের স্ত্রী মৌখিক প্রতিবাদ করলে তাকে মারপিট করলে সে পড়ে যায়। দেখতে পেয়ে শফিকুলের স্ত্রী রেহেনা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করে। এদিন সন্ধ্যায় আলমগীর নামে একজন ক্যামেরা হাতে থানা থেকে পাঠানো হয়েছে আমি দারোগা বলে। কি ঝামেলা হয়েছে মিটিয়ে দেব বলে খরচ খরচা দাবী করে টাকা হাতিয়ে নেয়। অথচ পরে বড়দল বাজারে নির্জন স্থানে প্রতিপক্ষের মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ রেকর্ড করে সোস্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে সম্মান হানি করা হয়েছে দাবী করে তারা এর প্রতিকার প্রার্থনা করেছেন। তাছাড়া থানায় মিথ্যা অভিযোগ করেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন বলে জানান।
এলাকার হামিদ গাজী, বাক্কার গাজী, আঃ মজিদ, লিটন, হাফেজ কেফাতুল্লাহ, মোছেলদ্দীন, উম্মত গাজী, কুলসুম বিবি, জাহানারা খাতুন, মনোয়ারা খাতুন, বকুল গাজী, আজাদুল গাজীসহ উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ সুকুর আলীর উপরোক্ত বক্তব্য সঠিক বলে জানান। এসময় জগদিশ সিং ও হামিদ গাজী ঘটনার বর্ণনা দেন এবং থানায় অভিযোগের পর আপন মিমাংসার মাধ্যমে জমির সীমানা নির্দ্ধারনের কথা জানান। এবং আলহাজ্ব সুকুর আলী সকলের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পাওনা জমি ছেড়ে দিয়ে মাত্র ২ ফুট জমি নিয়েছেন বলে জানান। তাদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচিরিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, মিথ্যা, কাল্পনিক ও সম্মানহানিকর বলে তারা মতামত ব্যক্ত করেন।

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article