এম এম সাহেব আলী, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : আশাশুনিতে রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞাত নামা এক যুবককে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। গুরুত্বর জখমী সেই যুবককে আশাশুনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। ২৬ আগস্ট ২০২২ রোজ শুক্রবার দুপুরে আশাশুনি থানা এএসআই মোজাফফার হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া কালিবাড়ী ওয়ারেন্টের আসামী গ্রেফতার সহ মাদকদ্রব্য উদ্ধারে যায়। ফিরে আসার পথে নাকতাড়া গ্রামে রাস্তার ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় যুবককে দেখতে পায়। এসময় সেখানে কয়েকজন মহিলা দাড়িয়ে ছিল। তাদের কাছে কি হয়েছে ঘটনা জানতে তারা পুলিশকে জানায় অনেকক্ষন ধরে এই ছেলেটি এখানে পড়ে আছে। তার গায়ে মারপিট করার দাগ ও রয়েছে। সে কোনো রকম কথা বলতে পারছে না। অনেকক্ষন ধরে তার নাম ঠিকানা পরিচয় জানার জন্য চেষ্টা করলেও সে কথা বলতে না পারার কারনে পরিচয় জানতে পারেনি। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কেমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এব্যাপারে আশাশুনি থানার সাহসী ন্যায় নিষ্ঠাবান মাদক ও সন্ত্রাসের আতঙ্ক মোহাম্মাদ মমিনুল ইসলাম (পিপিএম) এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা অজ্ঞাত এই যুবককে এএসআই মোজাফফার হোসেন উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। সম্ভাবত নারীঘটিত কোনো কারণে বা তার কোনো শত্রু পক্ষ তাকে মারপিট করে রাস্তার ধারে মারা গেছে ভেবে ফেলে রেখে যায়। উদ্ধারকৃত যুবকের পরিচয় এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি তবে তার পরিচয় খুজে বের করা সহ ঘটনা অনুসন্ধান করছে পুলিশ। এদিকে এএসআই মোজাফফার জানান তিনি একটি ওয়ারেন্টের আসামী গ্রেফতার সহ মাদকদ্রব্য উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা শেষে ফিরে আসার সময় হটাৎ রাস্তার ধারে কয়েকজন মহিলা ভিড় জমাতে দেখে আমি সেখানে যায়। সেখানে রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞাত নামা যুবককে পড়ে থাকতে দেখি। উপস্থিত মহিলাদের কাছে তার ব্যাপারে এবং নাম পরিচয় জানতে চাইলে তারা জানান তারা তাকে চেনে না। তারাও তাকে পড়ে থাকতে দেখে তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না। মনে হয় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। লোকজন এসে পড়ায় দুস্কিৃতিরা তাকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে চলে যায়। তার গলায় অসুবিধা হওয়ার কারনে কথা বলতে না পারায় তার কাছ থেকে কোনো পরিচয় পাওয়া যায় নি। তবে ওসি স্যারের নির্দেশে এ ঘটনার তদন্ত করা সহ তার নাম পরিচয় উদ্ধারে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
